যশোর-২ সংসদীয় আসনে জামায়াতে ইসলামী (Jamaat-e-Islami) মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে। আজ মঙ্গলবার সকালে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচাই কার্যক্রম চলাকালে তার মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা আসে।
সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘদিন পুরনো একটি ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত আর্থিক জটিলতার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, ফরিদের সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, প্রায় ২০ বছর আগে নেওয়া এক ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া এখনও পরিশোধ হয়নি বলে প্রমাণ মেলে।
যদিও ফরিদ দাবি করেছেন যে তিনি বকেয়া পরিশোধ করেছেন এবং তার প্রমাণপত্র দাখিল করেছেন, রিটার্নিং অফিস বলছে নির্ধারিত সময়ের বাইরে এই পরিশোধ হওয়ায় মনোনয়ন গ্রহণযোগ্য হয়নি।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ নির্বাচনী আপিল আদালতে (Election Appeal Tribunal) আবেদন করতে পারবেন। যেহেতু বকেয়া অর্থ ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে, তাই আপিল করলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
একই আসনে বিএনপি (BNP) মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহকের প্রার্থিতাও বাতিল হয়েছে। তার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসানের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গরমিল পাওয়ায়। অপর এক স্বতন্ত্র প্রার্থী জহুরুল হকের বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্রে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।


