ইশরাক হোসেনের মনোনয়ন বৈধ

ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা। শনিবার (২ জানুয়ারি) তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শফর উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ইশরাক হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ অত্যন্ত ভালো রয়েছে। এর আগেও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা থাকায় তিনি পরিস্থিতি সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং সব রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচনে অংশ নেবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিক যেন নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে ও বিনা বাধায় ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।

ইশরাক হোসেন নির্বাচনী হলফনামায় দাবি করেছেন, চারটি ভিন্ন উৎস মিলিয়ে বছরে তার মোট আয়ের পরিমাণ ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার কাছাকাছি। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে মোট সম্পদের পরিমাণ জানিয়েছেন ৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকার কিছু বেশি।

সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন ব্যবসাকে। হলফনামা অনুযায়ী, ৩৮ বছর বয়সী ইশরাকের শিক্ষাগত যোগ্যতা এমএসসি। তার নামে বর্তমানে কোনও ফৌজদারি মামলা নেই জানিয়ে ইশরাক হলফনামায় লিখেছেন, আগে বিভিন্ন সময়ে মোট ২১টি মামলা দায়ের করা থাকলেও সবগুলোতেই অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।

আয়ের উৎস হিসেবে যে চারটি খাত দেখিয়েছেন ইশরাক, সেগুলো হলো- বাড়ি/অ্যাপার্টমেন্ট/বাণিজ্যিক স্থান বা অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া, শেয়ার বা বন্ড/সঞ্চয়পত্র/ব্যাংক আমানত, চাকরি ও অন্যান্য। এর মধ্যে চাকরি ও অন্যান্য দুই উৎস থেকেই আয়ের পরিমাণ ৬২ লাখ টাকার কিছু বেশি দেখিয়েছেন ইশরাক।

অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকার পরিমাণ ১১ লাখ টাকার কিছু বেশি, ব্যাংকে জমা টাকার পরিমাণ ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার কাছাকাছি। বন্ড, ঋণপত্র, শেয়ার মিলিয়ে সম্পদের পরিমাণ ৩ কোটি ৪৪ লাখের কিছু বেশি। সঞ্চয়পত্র, ফিক্সড ডিপোজিট মিলিয়ে ১ কোটি ১৩ লাখের কিছু বেশি। আসবাবপত্র ২ লাখ ৩১ হাজার টাকার কিছু বেশি।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে কৃষি জমির পরিমাণ ৩০ লাখ ২৫ হাজারের কিছু বেশি, অকৃষি জমির পরিমাণ ৩৪ লাখ ৬৬ হাজারের কিছু বেশি। সব মিলিয়ে স্থাবর সম্পদের বর্তমান আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৬২ লাখ টাকার কিছু বেশি। তার নামে কোনও ঋণ বা দেনা নেই বলে দাবি করেছেন ইশরাক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *