বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের গ্রে’\ফতারে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংগঠনটি। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে ফেসবুকে প্রকাশিত একাধিক পোস্টে সংগঠনটি এই গ্রে’\ফতারকে “অযৌক্তিক ও অস্পষ্ট” অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে বলে দাবি করেছে এবং হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
রাত ৮টা ৩৩ মিনিটে দেওয়া একটি পোস্টে সংগঠনটি উল্লেখ করে, ‘হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ইয়াচমিন খাতুন নিজেই স্বীকার করেছেন যে, ওসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ও নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখিয়েই মাহদী হাসানকে গ্রে’\ফতার করা হয়েছে। কিন্তু এসব অভিযোগ অস্পষ্ট ও অযৌক্তিক।’
সংগঠনটি আরও জানায়, “জুলাই যোদ্ধা মাহদী হাসানকে অন্যায্যভাবে গ্রে’\ফতার করা হয়েছে। এই ঘটনার দায়ে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ও শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।”
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ মাহদী হাসানকে গ্রে’\ফতার করে বলে নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ইয়াচমিন খাতুন।
মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে রাত ১০টায় একটি নতুন পোস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সবাইকে শাহবাগে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়। পোস্টে বলা হয়, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের মুক্তির দাবিতে সবাইকে শাহবাগ আসার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”
সংগঠনটির অভিযোগ অনুযায়ী, মাহদী হাসান রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকায় এবং বৈষম্যবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত থাকার কারণেই তাঁকে টার্গেট করা হয়েছে। তবে পুলিশ পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
গ্রে’\ফতারের এই ঘটনা ঘিরে ছাত্র সমাজের মধ্যে চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শাহবাগে সম্ভাব্য সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজধানীতেও বাড়ছে কৌতূহল ও পর্যবেক্ষণ।


