ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২: হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী রুমিন ফারহানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-র ছয়টি আসনে ৪৮ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই প্রতীক বরাদ্দ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা পেয়েছেন তার কাঙ্ক্ষিত ‘হাঁস’ প্রতীক।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। ফলে বৈধ চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮ জনে। দলীয় প্রার্থীরা পেয়েছেন নিজ নিজ দলের প্রতীক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তাদের পছন্দের প্রতীক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটভুক্ত গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি পেয়েছেন তার দলীয় প্রতীক ‘মাথাল’।

প্রতীক পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, “আমি আমার ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। তারা যখন আমাকে দেখে, ছোট ছোট বাচ্চারা চিৎকার করে ওঠে—‘আমাদের হাঁস মার্কা, আমাদের হাঁস মার্কা’। এই মার্কাটা আসলে আমার না, ভোটারদের। আমি শুধু তাদের প্রতিনিধি।”

তিনি হাস্যরসের ভঙ্গিতে যোগ করেন, “আমি হাঁস পালতাম। আমার হাঁস চুরি হয়েছিল, আমি চোরকে ছাড়িনি—মামলা করেছি, জেলেও পাঠিয়েছি। এই হাঁস (প্রতীক) যদি কেউ চুরি করতে চায়, আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেব।”

রুমিন আরও বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের প্রার্থী। যদি জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে তাদের মতামত ও চাহিদার ভিত্তিতেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উন্নয়ন করব।”

প্রতীক বরাদ্দের পর নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের প্রস্তুতি আরও জোরালো হচ্ছে। ভোটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও নিজস্ব বার্তা তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই প্রতীকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *