ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতা আল্লামা মামুনুল হক (Allama Mamunul Haque) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, শুধু ভোট দিলেই হবে না—ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কেন্দ্রে ও রাজপথে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে হবে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর শিয়া মসজিদ থেকে শ্যামলী পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এক ‘নির্বাচনী স্বাগত মিছিল’ শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মামুনুল হক এসব কথা বলেন। এই কর্মসূচির আয়োজক ছিল ইসলামী ছাত্রশিবির (Islami Chhatra Shibir), ঢাকা-১৩ আসনের আওতাধীন এলাকাগুলোর নেতাকর্মীরা এতে ব্যাপকভাবে অংশ নেন।
তিনি বলেন, “ঢাকা-১৩ আসনের জনগণ ১২ ফেব্রুয়ারিতে ‘রিকশা’ প্রতীকের পক্ষে ব্যালট বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারীরাও প্রস্তুত বসে আছে। তাই ছাত্রশিবির, ছাত্র মজলিস ও ছাত্রশক্তিসহ সব ছাত্র সংগঠনের প্রতি আমার আহ্বান—ভোটের ফল নিয়ে যেকোনো কারচুপি ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিহত করতে আপনাদের মাঠে থাকতে হবে।”
ভোট শেষে কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি এবং রাজপথে জনগণের সক্রিয় অবস্থান নিশ্চিত করার দিকেও জোর দেন তিনি। মামুনুল হকের মতে, নির্বাচনের দিন রাতে ‘ফলাফল পাল্টে দেওয়ার’ প্রচেষ্টা হতে পারে, যা ব্যালট বিপ্লবের উপর আঘাত বলে বিবেচিত হবে।
এই সমাবেশে সভাপতির বক্তব্য দেন ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সেক্রেটারি জেনারেল মুহিব্বুল্লাহ। তিনি বলেন, “বিপুল জনসমাগম প্রমাণ করে জনগণ ব্যালট বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত। ছাত্র সমাজ ঐক্যবদ্ধ হলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না।”
শ্যামলী পর্যন্ত মিছিলে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর থানার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। তারা ব্যানার, ফেস্টুন, রিকশা প্রতীকের কাটআউট ও স্লোগানে মুখর করে তোলেন পুরো এলাকা।
মিছিলে অংশ নেওয়া একজন কর্মী জানান, “এটা শুধু মিছিল নয়, এটা একটা বার্তা—যে আমরা কেন্দ্রে থাকব, রাজপথে থাকব, এবং প্রতিটি ভোটের হিসাব চাইব।”


