ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠনের ম্যান্ডেট পায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (Bangladesh Nationalist Party)। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন (Mohammed Shahabuddin)।
এর আগে একই দিন সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ সদস্যদের শপথের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর শপথের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথও সম্পন্ন হয়।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (Mirza Fakhrul Islam Alamgir), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (Amir Khasru Mahmud Chowdhury), সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম এবং শেখ রবিউল আলম।
এরপর মন্ত্রীদের শপথের ধারাবাহিকতায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো পূর্ণতা পায়। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠনের যে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, তার চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে এই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হলো। এখন দৃষ্টি নতুন মন্ত্রিসভার কার্যক্রম ও নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপের দিকে।


