‘আল্লাহ আপনার মাধ্যমে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত রাখুক’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কনকচাঁপার আবেগঘন ফেসবুক বার্তা

দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। নতুন সরকারপ্রধানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার ঢল। রাজনৈতিক অঙ্গনের বাইরেও বিনোদন জগতের অনেক তারকা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করছেন প্রকাশ্যে। সেই তালিকায় রয়েছেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে কনকচাঁপা এক আবেগঘন বার্তায় নতুন প্রধানমন্ত্রীর সাফল্য ও দেশের মঙ্গল কামনা করেছেন। তিনি লেখেন, আল্লাহ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তাকে ও দেশবাসীকে সম্মানিত করেছেন। পুরো বিশ্ব এই ঘটনার সাক্ষী—এ কথা উল্লেখ করে তিনি মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শুধু অভিনন্দনেই থেমে থাকেননি এই শিল্পী। প্রার্থনায় তিনি বলেন, আল্লাহ যেন তারেক রহমানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত, সুখী ও সমৃদ্ধ রাখেন। পোস্টের শেষাংশে ‘আমিন’ লিখে তিনি তার দোয়া সম্পন্ন করেন। সংক্ষিপ্ত হলেও তার বার্তাটি ছিল গভীর আবেগে ভরা—যেখানে ব্যক্তিগত বিশ্বাস, জাতীয় প্রত্যাশা এবং সময়ের গুরুত্ব একসঙ্গে মিশে গেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (Bangladesh Nationalist Party – BNP) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (Mohammad Shahabuddin) নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শুরু হয় নতুন সরকারের পথচলা।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই সময়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখদের প্রতিক্রিয়াও বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে। কনকচাঁপার এই বার্তা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার অনুসারী ও সমর্থকেরা পোস্টের নিচে শুভকামনা ও অভিনন্দন জানিয়ে মন্তব্য করছেন। অনেকেই দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও শান্তির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

নতুন নেতৃত্বের সূচনায় রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সংস্কৃতি জগতের এমন প্রতিক্রিয়া জনমনে বাড়তি আলোচনার জন্ম দিয়েছে—যেখানে ব্যক্তিগত অনুভূতি মিলেমিশে যাচ্ছে জাতীয় প্রত্যাশার সঙ্গে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *