ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ঘিরে চলা জল্পনা-কল্পনার মধ্যে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (Bangladesh Jamaat-e-Islami)। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (Ehsanul Mahbub Jubayer) স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলটির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। বিশেষ করে দাবি করা হচ্ছে—দলের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতার স্ত্রী বা নিকটাত্মীয়রা নারী সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পেতে যাচ্ছেন। এসব দাবি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছে দলটি।
জামায়াতের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের প্রচারণা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির হীন উদ্দেশ্যেই চালানো হচ্ছে। বিবৃতিতে বলা হয়, একটি রাজনৈতিক সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করাই এ অপপ্রচারের লক্ষ্য।
দলটি আরও স্পষ্ট করে জানায়, জাতীয় সংসদ (Jatiya Sangsad)-এর সংরক্ষিত নারী আসনসহ সংগঠনের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় পরিচালিত সংগঠন—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলা হয়, এখানে আত্মীয়তা বা স্বজনপ্রীতির কোনো সুযোগ নেই।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ গঠনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এবং দলের মহিলা বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে সম্পন্ন হবে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকা উচিত। দায়িত্বশীল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে সম্মান জানাতে যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে দলটি।


