প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman) বলেছেন, পিলখানায় সংঘটিত সেনা হ’\ত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী গভীর তৎপরতা সক্রিয় ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনাকে ঘিরে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার সুপরিকল্পিত প্রয়াস চালানো হয়েছিল, যাতে প্রকৃত সত্য আড়ালে থেকে যায়।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবস (২৫ ফেব্রুয়ারি) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিকে শুধু অতীতের একটি ট্র্যাজেডি হিসেবে নয়, বরং রাষ্ট্রচিন্তার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নাগরিক হিসেবে এ ঘটনার অন্তর্নিহিত বাস্তবতা সবার উপলব্ধিতে থাকা জরুরি। তার মতে, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এখন জনগণের কাছে পিলখানার হ’\ত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনেক বেশি স্পষ্ট ও বোধগম্য হয়ে উঠেছে।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, এ হ’\ত্যাকাণ্ডের পরপরই নানা ধরনের মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে একটি বিভ্রান্তিকর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে প্রকৃত নেপথ্য চক্রান্ত থেকে দূরে সরিয়ে রাখা। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের মর্যাদা, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক—এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্র কেবল একটি বাহিনীর বিরুদ্ধে নয়, বরং রাষ্ট্রের ভিত্তির বিরুদ্ধেই আঘাত।
প্রধানমন্ত্রী ভবিষ্যতের দিকে দৃষ্টি রেখে সতর্কবার্তাও উচ্চারণ করেন। তিনি আহ্বান জানান, যেন আর কখনও কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে—সেই লক্ষ্যে সবাইকে পুনরায় শপথে বলীয়ান হতে হবে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল ঐক্যের আহ্বান ও সতর্কতার সুর।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যে কোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে জাতি ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবে—এই প্রত্যয়ই হোক শহীদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার। তার মতে, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ রক্ষাই এখন সময়ের দাবি।


