আসন্ন ঈদকে ঘিরে ঘরমুখো মানুষের চাপ সামাল দিতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি সংক্রান্ত বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে (Bangladesh Railway)। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বছরের ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৩ মার্চ থেকে এবং চলবে ৯ মার্চ পর্যন্ত। ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি হবে ১৩ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত।
রেলওয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, অগ্রিম ও ফিরতি—উভয় ধরনের টিকিটই শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হবে। কাউন্টারে অগ্রিম টিকিট বিক্রির কোনো সুযোগ থাকছে না। একজন যাত্রী একবারে সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার কোনো টিকিটই রিফান্ডযোগ্য নয়।
যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) সংশ্লিষ্ট স্টেশন কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক বন্ধও বাতিল থাকবে, যাতে অতিরিক্ত যাত্রীচাপ মোকাবিলা করা যায়।
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ডিভিশনাল ও জোনাল পর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন ও সিগন্যাল কেবিনে কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হবে। রেলপথ, ব্রিজ এবং সিগন্যালিং ব্যবস্থায় বিশেষ নজরদারি রাখা হবে। প্রয়োজনে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে রিলিফ ট্রেনও প্রস্তুত রাখা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ বড় স্টেশনগুলোতে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি, পুলিশ ও র্যাবের সমন্বয়ে টিকিটবিহীন যাত্রী নিয়ন্ত্রণ এবং নাশকতা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আরও সতর্ক করেছে, টিকিট বিক্রির নামে কোনো ফেসবুক লিংক বা ভুয়া অফার চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য যাত্রীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


