ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সব প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব চেয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়, যেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে—নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই ব্যয়ের রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে তার নির্বাচনী ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেই হিসাবে প্রাপ্ত সব তথ্য আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে ইসিতে পাঠাতে হবে।
ইসির পাঠানো নির্দেশনায় আরও বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৪৪(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের নামের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে তাদের নির্বাচনী ব্যয়ের বিবরণী রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল করতে হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রার্থীদের নাম ও ঠিকানাসহ গেজেট ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই সময়সীমা গণনা শুরু হয়েছে।
চিঠিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ব্যয় বিবরণী যথাসময়ে দাখিল নিশ্চিত করতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জারি করা পরিপত্র-১৮ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ব্যয়ের রিটার্ন জমা দেবেন, সেসব তথ্য সংগ্রহ করে ২৫ মার্চের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা পড়ার কথা। এবারের নির্বাচনে দুই হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ফলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিপুলসংখ্যক হিসাব যাচাই ও প্রেরণের কাজ সম্পন্ন করা একটি বড় প্রশাসনিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখছে সংশ্লিষ্টরা।


