না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন

এক সময়ের জনপ্রিয় টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অভিনেতা শামস সুমন (Shams Sumon) হৃদরোগে আ’ক্ৰা’\ন্ত হয়ে মা’\রা গে’\ছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

অভিনেতার মা’\রা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু (Rashed Mamun Apu)। তিনি জানান, বিকেল পাঁচটার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন শামস সুমন।

পরিস্থিতি খারাপ হলে তিনি বিষয়টি সহকর্মী অভিনেতা শাহাদৎ হোসেন (Shahadat Hossain)-কে জানান। পরে দ্রুত তাকে ঢাকার গ্রিন রোড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মা’\রা যায়।

দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ের বাইরে ছিলেন শামস সুমন। সর্বশেষ তিনি ‘রেডিও ভূমি’-তে স্টেশন চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

একসময় ছোট পর্দার পরিচিত মুখ হিসেবে দর্শকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। মঞ্চনাটক দিয়ে যাত্রা শুরু করে টেলিভিশন নাটক ও চলচ্চিত্র—সব মাধ্যমেই ছিল তার সরব উপস্থিতি। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাকে খুব একটা পর্দায় দেখা যায়নি।

রাজশাহীতে জন্ম নেওয়া শামস সুমন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (University of Rajshahi) থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি আবৃত্তি সংগঠন ‘স্বনন’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—‘মন জানেনা মনের ঠিকানা’ (২০১৬), ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’ (২০১৬), ‘চোখের দেখা’ (২০১৬), ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’ (২০১৪), ‘আয়না কাহিনী’ (২০১৩), ‘বিদ্রোহী পদ্মা’ (২০০৬), ‘জয়যাত্রা’ (২০০৪), ‘নমুনা’ (২০০৮) এবং ‘হ্যালো অমিত’ (২০১২)।

অভিনয়ে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপুরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *