বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (Iqbal Hasan Mahmud Tuku) জানিয়েছেন, দেশে তেল নিয়ে যে সাময়িক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা মূলত হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার ফল। তবে এ পরিস্থিতিকে দীর্ঘস্থায়ী সংকট হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে (বাংলাদেশ সচিবালয় – Bangladesh Secretariat) ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বিষয়টি স্পষ্ট করেন। তিনি বলেন, দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, কিন্তু হঠাৎ করে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হওয়ায় সরবরাহ ব্যবস্থায় সাময়িক চাপ পড়েছে।
মন্ত্রী আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, “আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। মজুত যথেষ্ট আছে, তাই জনগণের মধ্যে অযথা উদ্বেগ তৈরির কোনো কারণ নেই।” একই সঙ্গে তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করতে। তার মতে, অতিরিক্ত মজুত করার প্রবণতা বাড়লে সরবরাহ ব্যবস্থায় অযথা চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, “সবাই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাবেন। যদি কেউ অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি তেল না কেনেন, তাহলে সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না।”
তেলের দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ বিষয়ে কাজ করে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (Energy Regulatory Commission)। তবে এখন পর্যন্ত সরকার তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে তিনি স্পষ্ট করেন।
সামগ্রিকভাবে, সরকারের অবস্থান স্পষ্ট—বর্তমান পরিস্থিতি সাময়িক, মজুত যথেষ্ট, আর জনসচেতন আচরণই স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখার মূল চাবিকাঠি।


