জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বগুড়া জেলার সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (University of Dhaka)-এর সাবেক শিক্ষার্থী রাফিয়া সুলতানা মা’\রা গে’\ছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মা’\রা যা’\ওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়।
রাফিয়া সুলতানার মা’\রা যা’\ওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (National Citizen Party)-এর মিডিয়া উইং। তার এই অকাল মৃ’\ত্যু’\তে রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোক, একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের মাঝেও বিরাজ করছে বিষণ্নতা। মৃ’\ত্যু’\কালে তিনি দুই সন্তানসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
শিক্ষাজীবনে রাফিয়া সুলতানা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী। ছাত্রজীবন থেকেই সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (DUCSU) ও হল সংসদ নির্বাচনে রোকেয়া হলের ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনায় আসেন। সে সময় তিনি ‘নুর-রাশেদ-ফারুক’ প্যানেল থেকে নির্বাচন করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেন।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। রাজনৈতিকভাবে তার এই সক্রিয়তা তাকে দলের ভেতরে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যায়। সবশেষে তিনি বগুড়া (Bogura) জেলা শাখায় জাতীয় নাগরিক পার্টির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আসরের নামাজের পর গাবতলী (Gabtoli) উপজেলার আটবাড়িয়া পীরগাছায় তার বাবার বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তার অকাল প্রস্থান রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, সহপাঠী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মনে এক গভীর শূন্যতার জন্ম দিয়েছে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।


