তারেক রহমানের নির্দেশে অসহায় রাতুল ও শাহানুরের পাশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

রাজধানীর প্রান্তিক বাস্তবতায় লড়াই করা মানুষদের পাশে দাঁড়াতে আবারও উদ্যোগ নিয়েছেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। একটি হৃদয়স্পর্শী মানবিক প্রতিবেদন তার নজরে আসার পরই দ্রুত সহায়তার নির্দেশ দেন তিনি, যার বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেছে মাঠপর্যায়ে।

‘পাঁচ বছর বয়সী শিশু রাতুলের কাঁধে সংসারের বোঝা’ শীর্ষক সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। সংবাদে উঠে আসে অল্প বয়সেই জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া এক শিশুর সংগ্রামের চিত্র। এই প্রেক্ষাপটে তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন, যেন দ্রুত শিশুটি ও তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো হয়।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর খিলগাঁও (Khilgaon) এলাকার শান্তিপুর ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন স্থানে গিয়ে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল সরাসরি রাতুলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে দলটি সেখানে উপস্থিত হয়ে অসুস্থ পিতা মো. রাব্বির শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেয় এবং পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলটি তারেক রহমানের সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেয় এবং পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেয়। শুধু তা-ই নয়, শিশু রাতুলের শিক্ষাজীবন যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যে তার পড়াশোনার দায়িত্ব গ্রহণের কথাও জানানো হয়—যা পরিবারটির জন্য এক বড় স্বস্তির বার্তা হয়ে আসে।

একই দিনে প্রতিনিধি দলটি রাজধানীর আগারগাঁও (Agargaon) এলাকায় গিয়ে পানি বিক্রি করে জীবনধারণ করা বৃদ্ধ শাহানুর বেগমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। দীর্ঘদিনের সংগ্রামী জীবনের প্রেক্ষাপটে তাকেও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। তার জীবনযুদ্ধের প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয় মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য শাকিল আহমেদ, ফরহাদ আলী সজীব, সুইডেন বিএনপির নেতা সায়হাম সিকান্দার পাপ্পু, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা মো. মেসবাউল আলম, মশিউর রহমান এবং ঢাকা কলেজ (Dhaka College) ছাত্রদলের সদস্য আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ আরও অনেকে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকেই শুরু হওয়া এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত পৌঁছে যায় বাস্তব সহায়তায়—যার মাধ্যমে অসহায় শিশু রাতুলের পরিবার এবং বৃদ্ধ শাহানুর বেগম কিছুটা হলেও স্বস্তির মুখ দেখেছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *