গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান (Rashed Khan) বলেছেন, সাম্প্রতিক হামলায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী সরাসরি জড়িত। তার অভিযোগ, বিশেষ করে সেনা সদস্যরাই এ ঘটনার মূল ভূমিকায় ছিলেন। তিনি স্পষ্টভাবে দাবি করেছেন—এই হামলায় জড়িত সেনাদের বিচার গোপনে নয়, বরং প্রকাশ্যে করতে হবে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহত নুরকে দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ খান এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, হামলার পর ‘লাল শার্ট পরা’ এক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। শুরুতে দাবি করা হয়, নুর হামলার শিকার হননি, অন্য কেউ আহত হয়েছেন। এ বক্তব্যকে তিনি ‘মিথ্যাচার’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। বিশেষ করে সেনা সদস্যরা এই হামলায় সরাসরি জড়িত। তাদের সেনা আইনে গোপনে নয়, প্রকাশ্যে বিচার করতে হবে। আমরা এ বিষয়ে মামলা করব।”
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরও অভিযোগ করেন, কোনো প্রশাসনিক সংস্থা বা পুলিশ সেনাবাহিনীকে ডাকেনি, তবুও তারা পরিকল্পিতভাবে অফিসে এসে নুরকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। শুধু নুরই নয়, অফিসে ঢুকে সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপরও ব্যাপক মারধর চালানো হয়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ঘটনার পুনরাবৃত্তি এড়াতে প্রকাশ্যে জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়ে রাশেদ খান পুনর্ব্যক্ত করেন—“আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। বিশেষ করে সেনা সদস্যরা জড়িত। তাদের বিচার গোপনে নয়, প্রকাশ্যে করতে হবে। আমরা শিগগিরই মামলা করব।”