যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে অনেকটা সুনসান নীরবতা। অভিবাসন ইস্যুতে দেশটিতে ধরপাকড়ের পর সর্বত্রই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। স্থানীয় সময় সোমবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশিদের নিয়ে যে তথ্য দিয়েছেন তাতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
নিজের মালিকাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। তাতে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা কারা কতটুকু যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন তা তুলে ধরেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এতে দেখা যায়, তালিকার ২০তম দেশ হিসেবে ৫৪ শতাংশ বাংলাদেশি পরিবার সরকারি সুবিধা ভোগ করছেন।
অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বোঝা বরাবরই এমন একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত করতে চান ডনাল্ড ট্রাম্প। এজন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা বন্ধ করার পক্ষে তিনি। অভিবাসীদের মধ্যে তাই ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।
যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, ‘ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন কোন কোন দেশ কত শতাংশ সুবিধা নিচ্ছে। যারা বৈধ থাকেন তাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। তবে অবৈধভাবে সুবিধা নিয়ে থাকলে আমেরিকা আইনের শাসনের দেশ।’
যুক্তরাষ্ট্রে এমন পরিস্থিতির মধ্যে সবাইকে আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশি আইনজীবী। এই আইনজীবী আরও বলেন, ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে কেউ কোনো সরকারি সুযোগ সুবিধা নিয়ে থাকলে তাদের গ্রিন কার্ড বাতিল হতে পারে।’
এদিকে, ডেমোক্র্যাট শাসিত ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্ক-সহ পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। এতে এসব অঙ্গরাজ্যে চাইল্ড কেয়ার ও সোশ্যাল সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাবে।


