ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোহাম্মদ মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। তিনি এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক থেকে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী।
নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, মোস্তফা ফয়সালের নামে ২০১২ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। তবে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে তিনি ওই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, দেশের ভেতরে তার কোনো নিয়মিত আয় নেই। তবে বিদেশ থেকে তিনি বার্ষিক ৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা আয় করেন বলে উল্লেখ করেছেন। এই আয় শিক্ষকতা, চিকিৎসা, আইন কিংবা পরামর্শক পেশা সংশ্লিষ্ট খাত থেকে অর্জিত বলে তিনি হলফনামায় জানিয়েছেন।
সম্পদের বিবরণে দেখা যায়, বর্তমানে তার কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া তার ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য দেখানো হয়েছে ৩ লাখ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ টাকা। বৈবাহিক সূত্রে তার স্ত্রী তাসলিমা জাহান সুরাইয়ার মালিকানায় রয়েছে ৫০ ভরি স্বর্ণ, যার আনুমানিক বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৯৫ লাখ টাকা।
স্থাবর সম্পদের হিসাবে মোস্তফা ফয়সাল উল্লেখ করেছেন, দেশে তার মালিকানায় ১ শতাংশ জমির ওপর একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। একই সঙ্গে তুরস্কে তার নামে একটি ফ্ল্যাট আছে, যা তিনি দানসূত্রে পেয়েছেন। ওই ফ্ল্যাটটির ক্রয়কালীন মূল্য ছিল প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। তার নিজ নামে থাকা মোট স্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য হিসাব করা হয়েছে ৯৫ লাখ টাকা। এছাড়া যৌথ মালিকানায় তার নামে ০.৩৭ শতাংশ অকৃষি জমি রয়েছে, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৪ লাখ টাকা।
হলফনামা অনুযায়ী, তার স্ত্রীর নামে বগুড়া শহরের সেউজগাড়ী এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এসব ফ্ল্যাটের মোট মূল্য দেখানো হয়েছে ৫০ লাখ টাকা। মোহাম্মদ মোস্তফা ফয়সাল ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য সর্বশেষ আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। রিটার্ন অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৭ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। সেখানে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার টাকা এবং তিনি আয়কর পরিশোধ করেছেন ৫ হাজার টাকা।


