ঢাকা উত্তর সিটির ৬নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিটে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
সেই বাপ্পি পুলিশ পরিচয়ে ভারতের কলকাতার একটি বাসায় প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে আত্মগোপনে থাকেন বলে জানিয়েছে চ্যানেল ২৪।
চ্যানেল ২৪ একাধিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, কলকাতার রাজরহাটের ওয়েস্ট বেড়াবেড়ি মেঠোপাড়া এলাকার ঝনঝন গলির চার তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ-থ্রি ফ্ল্যাটে ৬ জানুয়ারি রাতে ছিলেন বাপ্পি।
পরে বাপ্পিকে পাওয়া না গেলেও ওই ফ্ল্যাটে দেখা মেলে পলাতক শেরে বাংলানগর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান উজ্জ্বল, একই থানার স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি সজিবুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফের।
বাপ্পি যে এখানে ছিলেন, তা নিশ্চিত করেন পলাতক এই নেতারাও। স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতার এই এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে বাপ্পী ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন আত্মগোপনে থাকেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র চ্যানেল ২৪-কে নিশ্চিত করেছে, কলকাতা পুলিশের হাতে ইতোমধ্যে আটক হয়েছেন তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী। যদিও নারায়ণপুর থানা পুলিশ এবিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
৫ আগস্টের পর থেকে পলাতক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি। রূপনগরে কাউন্সিলর কার্যালয়ের কর্মরতরা জনান, সবশেষ ২৪ সালের ৩ আগস্ট এখানে এসেছিলেন তিনি।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ি দখল, খুন, ছিনতাই, চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ছিল বাপ্পী। সে মূলত ইলিয়াস মোল্লার ছত্রছায়ায় এগুলো করেছে।


