বৈধতা পেতে শতাধিক ঋণখেলাপি প্রার্থীর আপিল: দলভিত্তিক ঋণখেলাপি প্রার্থীর চিত্র

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাতিল ও স্থগিত হওয়া ৭২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬০০ জনের আপিল শুনানি শুরু হচ্ছে আজ থেকে। নির্বাচন কমিশন জানায়, এই শুনানি চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। ঋ’\ণ’\খে’\লা’\পি থাকার কারণে ৮২ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, আর ৩১ জন উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে বৈধতা পেয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলের প্রার্থী। কাল থেকে শুরু হয় আপিলে প্রায় শতাধিক ঋণখেলাপি প্রার্থীর আপিল জমা পড়েছে।

মনোনয়ন বাতিল ও বৈধতার প্রশ্নে ঋণখেলাপি ইস্যু হয়ে উঠেছে বড় আলোচনার বিষয়। নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুসারে, এবার মোট ১১৩ জন ঋণখেলাপি মনোনয়ন জমা দেন। এদের মধ্যে ৮২ জনের প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে, অন্যদিকে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে বৈধতা পেয়েছেন ৩১ জন। বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বিএনপি থেকে শুরু করে জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ প্রায় সব দলের মধ্যেই ঋণখেলাপি প্রার্থীর উপস্থিতি রয়েছে।

**বাতিল হওয়া ৮২ ঋণখেলাপি প্রার্থী দলভিত্তিক হিসাব

বৈধতা পাওয়া ৩১ ঋণখেলাপি প্রার্থী দলভিত্তিক বিশ্লেষণ:

  • বিএনপি: ১৫ জন
  • স্বতন্ত্র: ১১ জন
  • জাতীয় পার্টি: ১ জন
  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ: ১ জন
  • বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি: ১ জন
  • নাগরিক ঐক্য: ১ জন (মাহমুদুর রহমান মান্না)

এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি বৈধ ঋণখেলাপি প্রার্থী রয়েছে বিএনপির পক্ষ থেকে। একাধিক আসনে তারা উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের মাধ্যমে প্রার্থিতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য হলো, ৮২ জন বাতিল হওয়া প্রার্থীর মধ্যে প্রায় ৩৪ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীই সবচেয়ে বেশি—২৮ জন।

নির্বাচনী নিয়ম অনুযায়ী, আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) অনুযায়ী কেউ ঋণখেলাপি থাকলে নির্বাচন করার অধিকার নেই। তবে আদালতের স্থগিতাদেশে সেই বাধা অতিক্রম করছেন অনেকে। যদিও নির্বাচিত হওয়ার পর ঋণখেলাপির সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *