দীর্ঘ ২১ বছর পর সিলেটে পা রাখলেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। এ ঐতিহাসিক সফরকে কেন্দ্র করে সিলেট নগরীতে বিরাজ করছে চরম উৎসাহ-উদ্দীপনা। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল থেকেই নগরীর অলিগলিতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীর সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কেন্দ্রীয় জনসভাকে ঘিরে সিলেট পরিণত হয়েছে এক রাজনৈতিক উচ্ছ্বাসের নগরীতে।
আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির চেয়ারম্যান ও জনসভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। সকাল থেকে আম্বরখানা, দরগাহ গেইট, চৌহাট্টা– এসব কেন্দ্রীয় পয়েন্টে জমে ওঠে দলীয় কর্মীদের ঢল। স্লোগানে মুখরিত জনস্রোত, রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড হাতে দলীয় পতাকা নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন নেতাকর্মীরা।
মাঠজুড়ে উৎসবের রঙ
আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য ব্যানার ও গেট। ব্যানারগুলোতে দলের আদর্শ, নেতার ছবি ও বিভিন্ন শুভেচ্ছাবার্তা স্থান পেয়েছে। তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে নেতাকর্মীদের অনেকে বলেন, দলের শীর্ষ নেতার এই আগমন তাদের জন্য এক ‘ঐতিহাসিক আবেগ’ বহন করে। দীর্ঘ দুই দশক পর সিলেটে এমন উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের সরাসরি উপস্থিতি বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে।
মিছিলে মিছিলে আসা সমর্থকদের প্রত্যাশা, এ জনসভা থেকেই দলের ভবিষ্যৎ আন্দোলন, রাজনীতির দিকনির্দেশনা এবং জাতীয় ইস্যুতে তারেক রহমান মুখ খুলবেন। একাধিক কর্মী বলেন, “এই দিনটার জন্য আমরা বহু বছর অপেক্ষা করেছি।”
নিরাপত্তায় কঠোর নজরদারি
অন্যদিকে জনসভাকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগর পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছিল তৎপর। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নেয় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য। পুরো অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি বজায় রাখতে নেয়া হয়েছে কড়াকড়ি ব্যবস্থা।
সবমিলিয়ে, তারেক রহমানের সিলেট সফর শুধু একটি জনসভা নয়—এটি রূপ নিয়েছে এক রাজনৈতিক উৎসবে। কর্মীদের মুখে মুখে এখন শুধুই একটি নাম—তারেক রহমান, যার প্রত্যাবর্তন তাদের মনে ফের আশার সঞ্চার ঘটিয়েছে।


