বিএনপির (BNP) চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, দলটি যদি আগামী নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে, তবে ফরিদপুরকে আলাদা বিভাগ হিসেবে গঠন করা হবে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তরুণদের কর্মসংস্থান ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির প্রসারে ফরিদপুর অঞ্চলে আধুনিক কৃষি ও শিল্প উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘‘কৃষি এবং শিল্প—দুই খাতেই উন্নয়ন ঘটাতে চাই। যাতে ফরিদপুরের মানুষ আত্মসম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারেন।’’
তিনি আরও বলেন, “পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করে ফরিদপুরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব মেটাতে চাই। জনগণের সমর্থন ছাড়া কোনো বড় কাজ সম্ভব নয়। কিন্তু জনগণ সঙ্গে থাকলে যেকোনো বড় কাজই সম্ভব।”
নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘‘দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী হলো নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। এজন্য আমরা প্রতিটি গৃহিণীর কাছে পৌঁছে দিতে চাই ফ্যামিলি কার্ড। এতে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে।’’
তারেক রহমানের প্রথম ফরিদপুর সফর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারই প্রথম ফরিদপুর সফরে যান বিএনপি চেয়ারপারসন। বরিশালে জনসভা শেষে দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে ফরিদপুর স্টেডিয়ামে পৌঁছান তিনি। বিকেল ৩টায় জনসভায় ভাষণ শুরু করেন।
দলীয় প্রধানের আগমণ ঘিরে ফরিদপুর শহরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকেই হাজারো নেতা-কর্মী ব্যানার-ফেস্টুন হাতে মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসতে থাকেন। পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে বিএনপির শ্লোগানে। জনসভাস্থলে মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি দলের শক্তিমত্তার বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখছেন নেতারা।


