কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালামের পক্ষে নির্বাচনী লড়াই সহজ হয়ে গেল আরও একধাপ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে লাকসাম পাইলট হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি সভায় একে একে তিনজন প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে সমর্থন জানিয়ে নিজ নিজ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন।
গণঅধিকার পরিষদ-এর ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আবদুল্লাহ আল হাসান বলেন, “আবুল কালাম সাহেব লাকসাম-মনোহরগঞ্জের সেবক ও অভিভাবক হিসেবে যোগ্য। তাই আমি আমার ভোটারদের বলছি—আমাকে নয়, আপনারা ধানের শীষে ভোট দিন।”
স্বতন্ত্র প্রার্থী হাঁস প্রতীকের আবুল কাশেম বলেন, “আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। আমার ভোটাররাও ধানের শীষে ভোট দেবেন।”
এর আগে, একই আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে দাঁড়ানো সামিরা আজিম দোলা প্রচারের শেষ দিনে তার অবস্থান বদলে ফেলেন। নির্বাচনি সভায় সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আপনারা তারেক রহমানকে জয়ী করতে, আবুল কালাম চাচাকে জয়ী করতে ধানের শীষে ভোট দেন। আমরা একসঙ্গে বিএনপিকে জয়ী করতে চাই।”
এই ঘোষণাগুলোর পর নির্বাচনি সমাবেশে আবুল কালাম তিনজন প্রার্থীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এই ঐক্যই আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত করবে।”
এই আসনে এখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সারোয়ার সিদ্দিকী, ইসলামিক ফ্রন্টের আবু বকর সিদ্দিকী, জাতীয় পার্টির গোলাম মোস্তফা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সেলিম মাহমুদ এবং সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মিজানুর রহমান চৌধুরী।
প্রতীক বরাদ্দের পরেও শেষ সময়ে এভাবে একাধিক প্রার্থীর ধানের শীষে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানো বিএনপির নির্বাচনি কৌশলে বড় সুবিধা এনে দিল বলেই মনে করছেন স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা।


