প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা এই টার্মিনাল নিয়ে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (Afroza Khanam) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (Amir Khasru Mahmud Chowdhury), বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (M Rasheduzzaman Millat) এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক – Civil Aviation Authority of Bangladesh) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যাতে অতি শিগগিরই থার্ড টার্মিনাল চালু করা যায়। সে লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বিষয়টি এখন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনায় রয়েছে।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়—টার্মিনালটি কবে নাগাদ চালু হতে পারে? জবাবে মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, নির্দিষ্ট সময় বলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “এখন আলাপ-আলোচনা হবে, তদন্ত হবে। কীভাবে দ্রুততম সময়ে চালু করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। তবে এখনই কোনো সময়সীমা ঘোষণা করা যাচ্ছে না।”
থার্ড টার্মিনাল নিয়ে পূর্বে বিভিন্ন সুপারিশ ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। কিছু অংশ ভাঙার প্রয়োজনীয়তা, নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত সমস্যা—এমন নানা বিষয় সামনে এসেছে। ৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হওয়ার পরও কেন এটি চালু করা সম্ভব হয়নি—এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কেন চালু হচ্ছে না, সেটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের বিষয় ছিল। প্রশ্নটা তাদের করা যেতে পারত। এখন প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন সামনে এটি চালু করতে, এবং সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (Hazrat Shahjalal International Airport)-এর থার্ড টার্মিনাল দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের তারিখ এখনো অনির্ধারিতই রয়ে গেছে।


