ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কনীতি সমাধানে আশার কথা শোনালেন ড.ইউনূস

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ইস্যুতে আলোচনার মাধ্যমে ইতিবাচক সমাধান আসবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)। আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংকক থেকে তাঁর প্রেস সচিব শফিকুল আলম (Shafiqul Alam) বাসসকে এ তথ্য জানান।

আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশাবাদ

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। যেহেতু এটি আলোচনার সুযোগ রাখে, তাই আমরা তা করব এবং আমি নিশ্চিত যে আমরা সর্বোত্তম সমাধানে পৌঁছাতে পারব।”

প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, এখনো পুরো প্রক্রিয়া আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং আশাবাদী যে, এতে করে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি সমাধানের দিকে যাচ্ছি, যেখানে উভয় পক্ষের জন্য উইন-উইন পরিস্থিতি তৈরি হবে।”

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক ও এনবিআরের পদক্ষেপ

আজ সকালে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শফিকুল আলম লেখেন, বাংলাদেশও যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পুনর্মূল্যায়ন করছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) (NBR) দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করছে, যাতে শুল্ক সংশ্লিষ্ট জটিলতা নিরসন করা যায়।

তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।”

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নীতির প্রভাব

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) এর ‘রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ’ নীতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তই আলোচনার সূত্রপাত করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের চলমান কার্যক্রম শুল্ক সমস্যা সমাধানে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করছি। আমরা এমন কিছু করব যাতে উভয় দেশের স্বার্থ সংরক্ষিত হয়।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *