চীনা সরকারের সাম্প্রতিক বিবৃতিকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ওই বিবৃতিতে একটি সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা জানিয়ে নির্বাচনকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বেইজিং। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আরও গতি পেয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার “এক চীন নীতি”-এর প্রতি নিজের দৃঢ় ও সুস্পষ্ট সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে।
এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বার্তা দেয় চীন। বার্তায় বলা হয়, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব গভীরভাবে মর্মাহত। বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক ছিলেন। তার দৃঢ় মনোবল, সাহসিকতা ও নেতৃত্ব দেশের জনগণকে দীর্ঘদিন ধরে অনুপ্রাণিত করেছে। চীনা জনগণের একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে তার অবদান ছিল অনস্বীকার্য।
বার্তায় আরও বলা হয়, চীনা জনগণ সর্বদা কৃতজ্ঞতা ও সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করবে। পাশাপাশি শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়, কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়না ভবিষ্যতেও তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপির সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত রাখবে।


