দীর্ঘ সময় ধরেই জাতীয় দলের বাইরে এক সময়ের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। যদিওবা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিতই খেলছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। সাকিব আল হাসানের ক্রিকেট ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন সবসময়ই আলোচনার কেন্দ্রে।
সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের পর মাঠের ক্রিকেটের চেয়ে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়েই আলোচনা হচ্ছে বেশি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে সাকিবের ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ার অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়লেও রাজনীতি নিয়ে নিজের অবস্থানে এখনো অনড়।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মাগুরা-১ আসন থেকে লড়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ১ লাখ ৮৫ হাজার ভোট পেয়ে সেই নির্বাচনে সংসদ সদস্যও হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু একই বছরের জুলাইয়ে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হয়। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ‘স্বৈরাচার’ শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটার সময়টাতে অবশ্য বিদেশে ছিলেন সাকিব আল হাসান।
কিন্তু সেই সময়ে তার নামে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়। শুধু তাই নয়? হাসিনা-সরকারের অংশ হওয়ায় জনরোষের মুখেও পড়তে হয় তাকে। তবে ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো আশাবাদী সাকিব। এমনকি স্বপ্ন দেখেন দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নেওয়ারও। ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশ নেবেন কি না; এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার কথা জানান। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, নির্বাচন কেন করব না? নির্বাচন তো করবই। এটা নিয়ে আমার মনে কোনো সংশয় বা সন্দেহ নেই। ইনশাআল্লাহ, আমি আমার জন্মস্থান মাগুরা থেকেই নির্বাচনে লড়ব।’
সাকিব এ সময় আরও বলেন, ‘মাগুরার মানুষের সেবা করার জন্য আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’ ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলে আলোচনায় থাকা সাকিব আল হাসান যে রাজনৈতিক ময়দানে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে এখনো দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তা তার এমন মন্তব্যেই সুস্পষ্ট।


