জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (Jatiya Ganatantrik Front)–এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ও জাতীয় পার্টির (Jatiya Party) একাংশের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানিতে তার মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।
ইসি সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে প্রার্থী হিসেবে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে চুন্নুর স্বাক্ষর ও দলীয় মনোনয়নপত্রে থাকা স্বাক্ষরের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এই কারণে আপিলেও প্রার্থিতা ফিরে পাননি তিনি।
এর আগে, গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। অভিযোগ ছিল, মনোনয়নপত্রে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর নেই এবং চুন্নু ঋণখেলাপি হিসেবেও চিহ্নিত।
বৃহস্পতিবারের শুনানিতে মোট ১০৪টি আপিলের মধ্যে ৬০টি আপিল মঞ্জুর এবং ৩৪টি নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। এখন পর্যন্ত মোট ৩৩৭টি প্রার্থিতা আবেদন পুনর্বহাল করা হয়েছে ছয় দিনের শুনানি শেষে।
শুনানি শেষে যারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন, তারা প্রকাশ করেছেন স্বস্তি ও সন্তুষ্টি। তবে অনেকে এখনো প্রার্থিতা ফিরে না পাওয়ায় হতাশ। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা ইসির ওপর নানা অভিযোগ তুলেছেন।
এদিন কুড়িগ্রাম-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর (Jamaat-e-Islami) প্রার্থী মো. মাহবুবুল আলমের মনোনয়ন দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে স্থগিত রেখেছে ইসি। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হুম্মাম কাদের চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।


