গণভোট নিয়ে যেসব মহল সমালোচনা করছে, তাদের জানার সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ও সিনিয়র সচিব শফিকুল আলম (Shafiqul Alam)। তার মতে, সারা পৃথিবীতেই সরকার গণভোট নিয়ে কোনো না কোনো পক্ষ নেয়, কখনও ‘হ্যাঁ’ আবার কখনও ‘না’-এর পক্ষে অবস্থান নেয়।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শাহ সৈয়দ আহমদ গেছুদারাজ (রহ.)–এর মাজার জিয়ারতের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপসী রাবেয়া, আখাউড়া থানার ওসি জাবেদ-উল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কফিল উদ্দিন মাহমুদ এবং মাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ।
গণভোটের প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “আমরা সংস্কারের পক্ষে। দেশের অপশাসন দূর করতে হলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রয়োজন। শেখ হাসিনার মতো যেন আর দৈ’\ত্য দা’\নব সৃষ্টি না হয়, সে জন্য আমরা হ্যাঁ বলতে বলছি।”
তিনি আরও বলেন, “চু’\রি চা’\মারি বন্ধ করতে হলে হ্যাঁ ভোটই একমাত্র উপায়। আপনারা তো দেখেছেন—বিগত সরকার কিভাবে ব্যাঙ্কের টাকা চু’\রি করে চে’টে চু’টে খেয়ে গেছে। এখন সে দায় বর্তমান সরকারের কাঁধে এসে পড়েছে।”
নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। এটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল কেবিনেট বৈঠকেও এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। এবার একটি ফ্রি, ফেয়ার, পিসফুল নির্বাচন হবে—যেখানে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।”
প্রেস সচিব জানান, রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার, নিরাপত্তা বাহিনী—সবাই প্রস্তুত। এখন কেবল ভোটের অপেক্ষা।
এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার (Rumin Farhana) ভোট নিয়ে শঙ্কার বিষয়টি নাকচ করে দেন শফিকুল আলম। তার ভাষায়, “রুমিন ফারহানার আশঙ্কা অমূলক। আমরা কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করব, এই সরকারের কোনো পক্ষপাতিত্ব নেই।”
এছাড়া, যমুনায় তারেক রহমানের পরিবার নিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, “অনেকে বলছেন ডিনার হয়েছে, এটা ডাহা মিথ্যা। এটি ছিল একান্ত পারিবারিক সৌজন্য সাক্ষাৎ। এখানে কোনো অফিসিয়াল উপস্থিতি ছিল না।”


