বিএনপির ড.মঈন খানের বিরুদ্ধে লড়বেন সেই এনসিপির ‘লাগাতে দিবা’ তুষার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ সংসদীয় আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক তথ্য মন্ত্রী ড. আব্দুল মইন খানের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার।

নরসিংদী-২ আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ড. আব্দুল মইন খানের পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যও বেশ পুরোনো। তার বাবা মোমেন খান ছিলেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য। বাবার হাত ধরেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ড. আব্দুল মইন খান।

ড. আব্দুল মইন খান ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টানা তিনবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর ধারাবাহিকতায় ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে তিনি ২০০১-২০০২ সাল পর্যন্ত তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে ড. আব্দুল মইন খানই শক্ত অবস্থানে থাকবেন।

অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এই আসনে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষারকে। এই আসনে তিনি একেবারেই নতুন মুখ। ফলে ভোটের মাঠে তার লড়াই কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে—তা নিয়ে কৌতূহল রয়েছে ভোটারদের মধ্যে।

সব মিলিয়ে, বিএনপির অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠিত প্রার্থীর বিপরীতে এনসিপির তরুণ নেতৃত্বের এই লড়াই নরসিংদী-২ আসনে নির্বাচনী রাজনীতিকে কতটা উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে, তা এখন দেখার অপেক্ষা। উল্লেখ্য এনসিপির এই নেতা তুষার, তার বির্তকিত ফোনালাপের জন্য বেশি মানুষের কাছে পরিচিত, যেই ফোনালাপে তাকে তৎকালীন এনসিপির নেত্রী নীলা ইস্ররাফীলকে বলতে শোনা যায়, “লাগাতে দিবা, আসবো বাসায়?” এই ফোনালাপের সূত্র ধরেই পরবর্তীতে সাবেক এনসিপি নেত্রী নীলা ইস্রাফীল দল থেকে পদত্যাগ করেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *