নির্বাচনী প্রচারণার নামে ভোটারদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংগ্রহের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (Bangladesh Election Commission)। বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে বলে বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুযায়ী, অন্যের এনআইডি কার্ড বহন বা হস্তান্তর করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি এই আইন লঙ্ঘন করে প্রচারণার আড়ালে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ করছেন বলে কমিশন জানতে পেরেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনআইডি সম্পর্কিত তথ্য কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠান অবৈধভাবে ব্যবহার করলে তা আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করে কমিশন।
একই সঙ্গে ইসি মনে করিয়ে দেয়, ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৪’-এর অধীনে, কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী অথবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ ভোটারদের মধ্যে চাঁদা, অনুদান বা উপহার দিতে পারবে না বা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার ও নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন কঠোরভাবে পালন করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন এসব নিয়ম ভাঙলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সব নাগরিক ও রাজনৈতিক দলকে এসব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


