দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনে ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (NCP) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব বলেছেন, জনগণ আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে কাকে ভোট দেবে। তিনি বলেন, কেউ যদি কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করে, তাহলে দিল্লি পালাতে হবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে পার্বতীপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে আয়োজিত ওই জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ বলেন, “একটি দল ফ্যামিলি কার্ডের নামে চাঁ’\দা’\বা’\জি করে জনগণের টাকা লু’\টপা’\টের ভিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত—“একদল ভারতে গোলামি করার জন্য প্রস্তুত, আরেক দল আ’\জা’\দির অপেক্ষায়।”
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন, গত ১৭ বছর ধরে ফ্যা’\সিস’\ট শে’\খ হা’\সি’\না পার্বতীপুরকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “ছাত্র-যুবকদের দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিবিদেরা নিজের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন, একটা প্রজন্মকে ঠেলে দিয়েছেন নে’\শা ও অনৈ’\তি’\ক’\তার পথে।”
তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্য যদি ক্ষমতায় আসে, তবে পার্বতীপুর উপজেলাকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ব্রিটিশ আমলের পার্বতীপুর রেলওয়ে জংশনকে আধুনিকায়ন করে মডেল রেলস্টেশনে রূপান্তর করা হবে, বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করা হবে, এবং অবহেলিত এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার করা হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, “ব্যা’\ঙ্ক ডা’\কা’\ত, ঋণখে’\লা’\পি, চাঁ’\দা’\বা’\জ ও স’\ন্ত্রা’\সী’দের জনগণ আর বরদাস্ত করবে না।” তিনি দিনাজপুর-৫ আসনে ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী ও এনসিপির প্রার্থী আব্দুল আহাদের প্রতীক ‘শাপলা কলি’-তে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।
তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, “আমরা নির্বাচিত হলে পার্বতীপুরে উন্নয়ন হবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।”
এ নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মো. আব্দুল আহাদ। বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানী আব্দুল হকসহ আরও অনেকে।


