বগুড়া (Bogra) জেলার সারিয়াকান্দিতে রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পালাবদলের সাক্ষী হয়েছে একটি রাত। সারিয়াকান্দি উপজেলা ও পৌর জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ দুই শতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে (BNP) যোগ দিয়েছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় সারিয়াকান্দির ফুলবাড়ীতে আয়োজিত এক সমাবেশে এই যোগদান অনুষ্ঠিত হয়। নেতৃত্ব দেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য, বগুড়া জেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি এবং সারিয়াকান্দি উপজেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মোকছেদুল আলম।
সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও বগুড়া-১ আসনের দলীয় প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলামের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগ দেন।
যারা যোগ দিলেন
যোগদানকারী নেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন—
– উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম খাজা
– পৌর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন
– সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক
– ফুলবাড়ি ইউনিয়ন জাপা সভাপতি তহসিন আলী মেম্বার
– উপজেলা যুব সংহতির সাবেক সভাপতি আবু হাসান বাবলা
– জাপা নেতা রানা মিয়া
এছাড়াও জাতীয় পার্টি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী একযোগে বিএনপিতে যোগ দেন।
“বগুড়ায় গণতন্ত্রমনা মানুষের ঢল”—কাজী রফিকুল
নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জাতীয় পার্টির নেতারা বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, সারিয়াকান্দি ও সোনাতলায় ধানের শীষের পক্ষে গণসমর্থন দৃশ্যমান, এবং গণতন্ত্রমনা জনগণ বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে।
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ জয়ী হবে এবং জনগণের ভোটের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।
“তারেক রহমানের নেতৃত্বেই উন্নয়ন”—মোকছেদুল আলম
জাতীয় পার্টি ছেড়ে বিএনপিতে যোগদানকারী অধ্যক্ষ মোকছেদুল আলম বলেন, বগুড়া শহীদ জিয়ার জন্মস্থান এবং বিএনপির ঐতিহাসিক ঘাঁটি। এখানকার উন্নয়নে বিএনপির ভূমিকা ছিল এবং ভবিষ্যতেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই তারা বিএনপিকে বেছে নিয়েছেন।
উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতারাও
এই সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন—
– সারিয়াকান্দি উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নূরে আজম বাবু
– সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান
– সোনাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক লিপন
– উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামল মাহমুদ
– সহ-সভাপতি সাদেক মোহাম্মদ আজিজ লাবলু
– সাবেক সভাপতি কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু
– সুজাউদ্দৌলা সনজু
– সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহজাত হোসেন পল্টন
এছাড়াও বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


