দেশজুড়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নানা নাটকীয়তা চলছে, আর তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন আসনে বিএনপি প্রার্থীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে একে একে সরে দাঁড়াচ্ছেন স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরা। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার এসব ঘোষণায় নির্বাচনের মাঠে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঢাকা-১৭ আসন (Dhaka-17) থেকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী এনায়েত উল্লাহ। তিনি তারেক রহমান (Tarique Rahman)-এর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে ধানের শীষের পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে গণ অধিকার পরিষদ (Gono Odhikar Parishad) মনোনীত প্রার্থী দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। একইভাবে পটুয়াখালী-৪ আসনের গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদ সদস্য রবিউল হাসানও বিএনপি (BNP) প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নিজেকে প্রত্যাহার করেছেন।
বরিশাল-২ (Barisal-2) আসনের ‘মোটরগাড়ি’ মার্কার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বাদল, যিনি বাংলাদেশ জাসদ (Bangladesh JASAD) ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট-এর সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন, তিনিও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।
মাদারীপুর-২ আসনে ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার শহীদুল ইসলাম ধানের শীষের প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহানকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
চাঁদপুর-৫ আসনে পোস্টাল ব্যালটে নিজের নাম ও প্রতীক না থাকায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাকির হোসেন।
চাঁদপুর-২ আসনের গণ অধিকার পরিষদের ‘ট্রাক’ মার্কার প্রার্থী গোলাফ হোসেন দলের নির্দেশনা মেনে ধানের শীষ প্রতীকের ড. মো. জালাল উদ্দিনকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে গেছেন।
প্রসঙ্গত, একই আসনে (মাদারীপুর-২) বিএনপি প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ব্যারিস্টার শহীদুল ইসলাম দ্বিতীয়বারের মতো নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
এইসব সিদ্ধান্ত নির্বাচনী মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। প্রশ্ন উঠছে—এই সমর্থনের ঢল বিএনপি ও তার জোটের পক্ষে কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, আর এতে কতটা চাপে পড়বে অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তিগুলো।


