জাপানের সদ্যসমাপ্ত সংসদীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি (Sanae Takaichi) ও তাঁর দলের জয়কে স্বাগত জানিয়ে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। তিনি বলেন, এই বিজয় গণতন্ত্রে জনগণের আস্থা এবং নেতৃত্বে জবাবদিহিতার প্রতিফলন।
তারেক রহমান বলেন, “এই ফলাফল স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন কিভাবে একটি জাতিকে স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছ দিকনির্দেশনা এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি নতুন আস্থার ভিত্তি গড়ে দিতে পারে।” তিনি জাপানকে গণতন্ত্রের একটি উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, “জাপান আবারও দেখাল, অংশগ্রহণমূলক ও অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় কতটা কার্যকর বৈধতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।”
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “আমরা যখন নিজেদের জাতীয় নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, এই মুহূর্তটি সমস্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা বহন করে। যখন নাগরিকদের স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়, তখন তা জাতিকে শক্তিশালী করে তোলে—রাজনৈতিক মতাদর্শ যাই হোক না কেন।”
তিনি বলেন, “অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই অগ্রগতির ভিত্তি। এটি নাগরিকদের ভবিষ্যৎ গঠনের অধিকার নিশ্চিত করে এবং শাসনের প্রতি জনগণের আস্থা গড়ে তোলে।”
তারেক রহমান আশা প্রকাশ করেন, জাপানের নতুন সরকারের অধীনে সানাই তাকাইচির নেতৃত্বে টোকিও ও ঢাকার মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হবে। সেইসাথে তিনি বিশ্বাস করেন, এই সম্পর্ক এশিয়া জুড়ে শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জোরদারে ভূমিকা রাখবে।


