ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে মাঠে নামানো হয়েছে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট নিরাপত্তায় মোট ৯ লাখ ১৯ হাজার ৩৫০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, সেনাবাহিনীর ১ লাখ ৩ হাজার সদস্য মাঠে রয়েছেন। উপকূলীয় ৫ জেলায় ১৭টি আসনে নৌবাহিনীর ৫ হাজার ও বিমান বাহিনীর ৩ হাজার ৫০০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বিভিন্ন বাহিনীর দায়িত্ব বণ্টন:
– বিজিবি ৩৭,৪৫৩ জন
– কোস্ট গার্ড: ৩,৫৮৫ জন
– পুলিশ: ১,৮৭,৬০৩ জন
– র্যাব: ৯,৩৪৯ জন
– আনসার: ৫,৬৭,৮৬৮ জন
– বিএনসিসি:** ১,৯২২ জন
নির্বাচনী এলাকায় নিরাপত্তা নজরদারিতে ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন ও অন্যান্য প্রযুক্তি। এছাড়াও গঠন করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটি।
বিচারিক ও প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণেও কড়া নজরদারি:
– বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট: ৬৫৭ জন
– নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট: ১,০৪৭ জন
– নির্বাচনী তদন্ত কমিটির বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট: ৩০০ জন
আচরণবিধি লঙ্ঘনের পরিণতি:
ইতোমধ্যে নির্বাচনী অপরাধে ৪৬৮টি ঘটনায় ২৫৯টি মামলায় প্রার্থী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে মোট ৩২ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্বাচনী তদন্ত কমিটি আরও ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে সংক্ষিপ্ত বিচারে।
দেশ-বিদেশের পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি:
ভোট পর্যবেক্ষণে:
– বিদেশি পর্যবেক্ষক: ৫৭ জন (ইসির আমন্ত্রিত), ৩৩৫ জন (স্বেচ্ছায়)
– বিদেশি সাংবাদিক: ১৫৬ জন
– দেশীয় পর্যবেক্ষক: ৮০টি সংস্থার ৪৪,৯৯৫ জন
নির্বাচনের এই ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পর্যবেক্ষক উপস্থিতি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


