জয়ের সম্ভাবনাময় আসনে অতিরিক্ত ক্যামেরা নিয়ে ইসিতে জামায়াতের আপত্তি

জামায়াতে ইসলামী (Jamaat-e-Islami) অভিযোগ করেছে, তাদের জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে এমন আসনগুলোতে অস্বাভাবিকভাবে বেশি বডি-ওর্ন ক্যামেরা বসানো হয়েছে, আর কিছু কিছু আসনে তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এই বৈষম্যকে তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছে।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যজোটের নেতাদের বৈঠক শেষে এ অভিযোগ করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের

তিনি বলেন, “আমরা বডি-ওর্ন ক্যামেরার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখেছি—কিছু আসনে অস্বাভাবিকভাবে বেশি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে, আবার কিছু আসনে খুব কম। আমাদের পর্যবেক্ষণ হলো, যেখানে আমাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি, সেখানে বেশি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। আর যেখানে অন্য একটি দলের অবস্থান দুর্বল, সেখানে ক্যামেরা কম।”

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের দাবি করেন, “একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতেই এ ধরনের বৈষম্য করা হয়েছে।”

এ সময় তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নির্বাচনি বুথ ভাঙচুরের অভিযোগও তুলে ধরেন।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুলিশের রিপোর্টের ভিত্তিতে ক্যামেরা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে জামায়াত বিষয়টি পুনরায় যাচাই (ক্রসচেক) করার দাবি জানিয়েছে।

জুবায়ের বলেন, “এটা কাকতালীয় নাকি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত—তা খতিয়ে দেখা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।”

এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ভোটগ্রহণের মাত্র একদিন আগে এ ধরনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *