ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানের পক্ষ থেকে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে সরব বার্তা পৌঁছে দিতে মাইকিং করা হয়েছে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ মাইকিং প্রচার করা হয়।
মাইকিংয়ে গফরগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী ও পৌরবাসীর উদ্দেশে জানানো হয়, কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়ায়, কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে চাঁদা দাবি করে, তাহলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে হবে। প্রয়োজনে সরাসরি সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানকেও জানানো যেতে পারে। বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করে জানানো হয়।
মাইকিং বার্তায় আরও বলা হয়, যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সংসদ সদস্যের অন্যতম লক্ষ্য। সেখানে উচ্চারণ করা হয়—বিভেদ-বিভাজন নয়, ঐক্যই শান্তি, ঐক্যই মুক্তি।
এ উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। গফরগাঁও পৌর এলাকার বাসিন্দা আবদুল আউয়াল বলেন, “এমপি হয়েই চাঁদাবাজি বন্ধে মাইকিং করায় এলাকাবাসীর মধ্যে একধরনের আশা জেগেছে। শান্তি ফিরিয়ে আনতে এমপির পাশাপাশি সব শ্রেণি–পেশার মানুষকে সহযোগিতা করতে হবে। এতে এলাকাবাসীই উপকৃত হবে।”
এর আগে সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টেও কঠোর অবস্থানের কথা জানান মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান। তিনি লেখেন, “বিশৃঙ্খলা ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতরা কেউ দলের লোক হতে পারে না। এরা দল বোঝে না, বোঝে নিজের স্বার্থ। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। অন্যায় ও অপরাধে জড়িতদের কোনো ছাড় নয়। অপরাধীর একমাত্র পরিচয়—অপরাধী।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যেকোনো মূল্যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা, সর্বস্তরের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দেশের অর্থনীতি চাঙ্গা করা, বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জনগণের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তাদের লক্ষ্য। পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, “আমরা সংঘাত নয়—সমাধানে বিশ্বাস করি। ভয় নয়—ভরসায় বিশ্বাস করি। হিংসা নয়—উন্নয়নে বিশ্বাস করি। দেশ আগে, দল পরে—জনগণই আমাদের শক্তি।”


