বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। আফরোজা খানম (রিতা) (Afroza Khanam Rita) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে এবং এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (M Rashiduzzaman Millat) প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয় (Bangladesh Secretariat)-এর মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে নবনিযুক্তদের সম্মানে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজক পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়, আর পরিবেশজুড়ে ছিল প্রত্যাশা ও নতুন কর্মউদ্দীপনার আবহ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমরা আপনাদের সহযোগিতা করার জন্য এসেছি। একইসঙ্গে আপনাদের কাছ থেকেও আন্তরিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।” তিনি উল্লেখ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে জনস্বার্থে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করা সম্ভব। সুশাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন, যাতে জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হয় এবং সেবার মান দৃশ্যমানভাবে উন্নত হয়।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত নতুন সরকারের ইশতেহারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, প্রবাসীদের স্বার্থ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের বিমানবন্দরগুলোকে আধুনিক ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যে উন্নয়ন ও জবাবদিহিতার সমান্তরাল অঙ্গীকার স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান (Nasreen Jahan) চলমান কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে একটি পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা তুলে ধরেন। এতে বর্তমান প্রকল্পের অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জগুলো বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা নতুন নেতৃত্বের সামনে বাস্তব চিত্র স্পষ্ট করে।
শেষে নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। তাদের প্রত্যাশা—সমন্বিত উদ্যোগ, দক্ষ প্রশাসন ও নীতিগত দৃঢ়তায় দেশের বেসামরিক বিমান ও পর্যটন খাত আরও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে।


