প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman) ঘোষিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে চীন (China)। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ সুরক্ষায় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দেশটি।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান (Dr. Khalilur Rahman)-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen) এ কথা জানান।
দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে আলোচনা করেন তিনি। রাষ্ট্রদূত জানান, বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প (Teesta Project)সহ চলমান ও সম্ভাব্য সহযোগিতার নানা ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে।
তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও বাংলাদেশের নতুন সরকার এ বিষয়ে কতটা ইতিবাচক—সে প্রশ্নে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি ইয়াও ওয়েন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই চীনের লক্ষ্য। চীনকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টার প্রসঙ্গ টেনে তিনি তৃতীয় কোনো দেশের হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের সামগ্রিক অগ্রগতি ছাড়াও আলোচনায় উঠে আসে রোহিঙ্গা সংকট (Rohingya Crisis)। রাষ্ট্রদূত জানান, নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটি স্থিতিশীল সরকার পরিচালনায় সহযোগিতা করতে আগ্রহী বেইজিং।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেন ইয়াও ওয়েন। দ্রুতই এ সফর বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


