হ’\ত্যার ঘটনার পরপরই পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে নি’\হত আলমগীর হোসেনের জামাই পরশ ও তার সহযোগী সাগরকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও বিস্তৃত করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় বেজপাড়ার ত্রিদিব ওরফে মিশুককে আটক করা হয়। পরে রায়পাড়া তুলোতলা এলাকার শাহীন কাজীকেও গ্রে’\প্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শাহীন কাজীর জবানবন্দিতে মনিরুলের নাম উঠে আসে। তার দেওয়া তথ্য যাচাই–বাছাই শেষে মনিরুলকেও গ্রে’\প্তার করা হয়। ফলে এ পর্যন্ত এই হ’\ত্যা মামলায় মোট পাঁচজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, নি’\হত আলমগীর হোসেনের স্ত্রী শামীমা কোতোয়ালি থানায় একটি হ’\ত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনি জামাই পরশ, সাগরসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করেছেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবেই এ হ’\ত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হ’\ত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। মোটরসাইকেলটিতে ইংরেজিতে লেখা ছিল: “হাদি ইজ নট নেম, হাদি মিনস বাংলাদেশ।” এই লেখাটি নিয়েও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন—এটি কেবল ব্যক্তিগত বার্তা, নাকি ঘটনার সঙ্গে এর কোনো প্রতীকী সংযোগ রয়েছে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, হ’\ত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রে’\প্তারের লক্ষ্যে অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন তথ্য পাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্টরা ইঙ্গিত দিয়েছেন।


