মোটরযানের জন্য সরকার নির্ধারিত সীমা অনুযায়ীই এখন জ্বালানি সরবরাহ করছে দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো। নির্ধারিত সেই সীমার মধ্যে তেল নিতে অনেককেই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার থেকে বিরত থাকার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে অনেকের মধ্যে।
মূলত মধ্যপ্রাচ্য (Middle East) অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং ইরান (Iran) কর্তৃক হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) বন্ধ রাখার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh)-এর জ্বালানি বাজারেও।
এমন বাস্তবতায় দেশের জ্বালানি মজুত যতদিন সম্ভব ধরে রাখতে জনসাধারণকে সংযমী ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে মোটরযান প্রতি জ্বালানি সরবরাহের নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনা মেনেই পাম্পগুলো তেল বিতরণ করছে। ফলে লাইনে অপেক্ষা করতে হলেও নির্ধারিত পরিমাণ জ্বালানি শেষ পর্যন্ত সবাই পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে মহানগর এলাকায় রাইড শেয়ারিং সেবায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলগুলোর জন্য জ্বালানি সরবরাহের সীমা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। আগে যেখানে এসব মোটরসাইকেলকে ২ লিটার জ্বালানি দেওয়া হতো, এখন তা বাড়িয়ে ৫ লিটার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এ তথ্য জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বিপিসি (Bangladesh Petroleum Corporation)।
তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক নয়। দেশের কিছু পেট্রোল পাম্প ইতোমধ্যে সরবরাহ সংকটে পড়েছে। এর ফলে কয়েকটি পাম্প সাময়িকভাবে তাদের জ্বালানি বিতরণ কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে বলেও জানা গেছে।


