পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। সেই ঘরমুখো যাত্রীদের ফিরতি যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির ধারাবাহিকতায় আজ ষষ্ঠ দিনের টিকিট বিক্রি শুরু হচ্ছে। বুধবার (১৮ মার্চ) পাওয়া যাবে আগামী ২৮ মার্চের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট।
প্রতিবারের মতো এবারও বিশেষ ব্যবস্থায় সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে (Bangladesh Railway)। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে, যা ইতোমধ্যেই যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ ও চাপ—দুই-ই বাড়িয়েছে।
সকাল ৮টা থেকে শুরু হবে টিকিট বিক্রি। এ সময় পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাবে। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে। ফলে নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী যাত্রীদের প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এই বিশেষ ট্রেনযাত্রার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। সেখানে যাত্রীসেবা সহজ করা, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং টিকিট বিক্রিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়।
রেলওয়ের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ২৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে ১৩ মার্চ, ২৪ মার্চের টিকিট ১৪ মার্চ, ২৫ মার্চের টিকিট ১৫ মার্চ, ২৬ মার্চের টিকিট ১৬ মার্চ এবং ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ। আগামী ২৯ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে ১৯ মার্চ।
এছাড়া চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত রাখা হয়েছে। এতে ঈদের তারিখ নির্ধারণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যাত্রাপথ পরিকল্পনা সহজ হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
যাত্রীদের সুবিধার্থে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ টিকিট দাঁড়িয়ে ভ্রমণের জন্য রাখা হবে, যা যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে। তবে অগ্রিম টিকিট কেনার ক্ষেত্রে একজন যাত্রী একবারেই সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করতে পারবেন এবং কেনা টিকিট ফেরতযোগ্য হবে না—এই শর্তও বহাল রয়েছে।


