প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman) বলেছেন, মহান স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করে। ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি দেশের সর্বস্তরের জনগণসহ প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বাণীতে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ (Bangladesh) প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন।’ এই দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। একইসঙ্গে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা-বোন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকল মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাকে আরও বেগবান করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সহনশীলতা এবং দেশপ্রেমের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করেই এগিয়ে যেতে হবে। এই মূল্যবোধগুলোই একটি শক্তিশালী জাতি গঠনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও আহ্বান জানান, ‘আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি।’ একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রয়াসের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।
সবশেষে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।


