২৬ মার্চ জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবসের আবহে রাজধানীর জাতীয় স্টেডিয়াম যেন ফিরে পেয়েছিল পুরনো দিনের ফুটবল উন্মাদনা। সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (Bangladesh Football Federation)-এর আয়োজিত প্রীতি ম্যাচ দেখতে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)। আর সেই উপস্থিতিই যেন পুরো আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
বিকাল চারটার কিছু পর স্টেডিয়ামের মাঠে প্রবেশ করেন তিনি। মাঠে ঢুকেই লাল-সবুজে গড়া সাবেক ফুটবলারদের দলের সঙ্গে একে একে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। বিশেষ করে সাবেক তারকা ফুটবলার কায়সার হামিদ (Kaiser Hamid) ও সৈয়দ রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির (Syed Rumman Bin Wali Sabbir)-এর সঙ্গে তাকে কিছুটা বেশি সময় নিয়ে করমর্দন করতে দেখা যায়, যা উপস্থিতদের দৃষ্টি কাড়ে।
ফুটবলার ও রেফারিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী পুরো স্টেডিয়াম ঘুরে দেখেন। পূর্ব গ্যালারিতে অবস্থান নেওয়া হাজারো দর্শক তখন হাত নেড়ে অভিবাদন জানাতে থাকেন, আর তিনি হাসিমুখে সাড়া দেন। এই পুরো সময়জুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী যখন স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণ করছিলেন, তখন তার একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান (Zaima Rahman) ডাগআউটের চেয়ারে বসে ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ফিরে এলে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা আরও গাম্ভীর্য পায়।
দুই দলে ভাগ হয়ে মাঠে নামার আগে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক (Aminul Haque) প্রধানমন্ত্রীকে একটি বিশেষ উপহার তুলে দেন—১০ নম্বর জার্সি। এই প্রতীকী উপহার মুহূর্তেই তৈরি করে আবেগঘন পরিবেশ, যা উপস্থিত সবার মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেয়।
সংক্ষিপ্ত ফটোসেশন শেষে শুরু হয় বহুল প্রতীক্ষিত প্রীতি ম্যাচ। প্রধানমন্ত্রী ডাগআউটে বসেই মনোযোগ দিয়ে খেলা উপভোগ করেন, আর গ্যালারিতে থাকা দর্শকরা উপভোগ করেন এক অন্যরকম স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন।


