মহান মে দিবসকে ঘিরে আয়োজিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমাবেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি। রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত এই শ্রমিক সমাবেশের মঞ্চে উপস্থিত হন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Tarique Rahman)। তার আগেই মঞ্চে এসে অবস্থান নেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (Mirza Fakhrul Islam Alamgir)।
শুক্রবার (১ মে) বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে সমাবেশস্থলে তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এর আগে থেকেই দুপুর ১টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। ব্যানার-ফেস্টুনে ভরে ওঠে নয়াপল্টনের আশপাশ, যেখানে শুধু পুরুষ কর্মীরাই নয়, অংশ নেন বিপুল সংখ্যক কর্মজীবী নারীও—যা সমাবেশের ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।
এই আয়োজনের মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং সালাহউদ্দিন টুকুসহ বিএনপির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাদের উপস্থিতি সমাবেশকে রাজনৈতিকভাবে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ছিল বিশেষ কড়াকড়ি। সমাবেশস্থল ও আশপাশ এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিবি এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি সম্ভাব্য যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয় অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাও।
মে দিবসের এই সমাবেশ শুধু শ্রমিক অধিকার নয়, রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


