লু’\ণ্ঠিত অ’\স্ত্র উ’\দ্ধার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিতের দাবিতে আইনি নোটিশ

লু’\ণ্ঠিত সব অ’\স্ত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে উ’\দ্ধার এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত রাখার দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)–এর আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন (Election Commission)–এর সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাব (RAB)–এর মহাপরিচালক বরাবর রেজিস্ট্রি ডাক ও ই-মেইলের মাধ্যমে এ আইনি নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে তিনি হাইকোর্ট (High Court)–এ রিট আবেদন করবেন।

আইনি নোটিশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত ‘জুলাই সনদ’–এর ওপর গণভোট যথাসময়ে আয়োজনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন একই দিনে—১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬—জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ গণভোট একসঙ্গে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু লু’\ণ্ঠিত অ’\স্ত্র উ’\দ্ধার না হওয়ায় নির্বাচনী মাঠ বর্তমানে বারুদের স্তূপে পরিণত হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি সন্ত্রাসীদের গু’\লি’\তে আ’\ক্রান্ত হন। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, অবৈধ অ’\স্ত্র উ’\দ্ধার না করে নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা প্রার্থীদের প্রা’\ণ’\না’\শের কারণ হতে পারে এবং সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের ‘জীবনের অধিকার’ লঙ্ঘিত হবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ‘জুলাই সনদ গণভোট’ একটি জাতীয় ঐকমত্যের বিষয় এবং রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হওয়ায় এতে সহিংস প্রতিযোগিতার সুযোগ নেই। কিন্তু জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক প্রক্রিয়া। ফলে অবৈধ অ’\স্ত্রের ঝনঝনানির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

আইনি নোটিশ পাঠানোর পর আইনজীবী মাহমুদুল হাসান জানান, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণবিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও দেশে একটি গভীর নিরাপত্তা সংকট এবং ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। বিপ্লব পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে দেশের বিভিন্ন থানা ও নিরাপত্তা স্থাপনা থেকে বিপুল পরিমাণ মা’\রণা’\স্ত্র ও গো’\লা’\বা’\রুদ লুট হয়ে যায়, যার একটি বড় অংশ এখনো উ’\দ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

তার ভাষায়, এই বিপুল অবৈধ অ’\স্ত্র অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের জীবনের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচনী সহিংসতা ও প্রা’\ণের ঝুঁকি দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *