কুমিল্লা-৪ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ঘিরে উত্তেজনা দেখা দেয় দুই প্রার্থী—হাসনাত আবদুল্লাহ (Hasnat Abdullah) ও মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী (Manjurul Ahsan Munshi)-র মধ্যে। এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত এবং তাঁর আইনজীবী অভিযোগ তোলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুন্সী তাঁর হলফনামায় ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করেছেন। এ নিয়ে অন্তত আধাঘণ্টা উভয়পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা চলে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান উভয়পক্ষকে আইন অনুযায়ী লিখিতভাবে অভিযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে যাচাই–বাছাই শেষে তিনি উভয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।
এই সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “পর্যাপ্ত তথ্য–প্রমাণ থাকার পরও একজন ঋণখেলাপি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হলো না। তিনি বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করেননি, এমনকি হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের তথ্যও গোপন করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনী বিধিমালায় স্পষ্ট বলা আছে—ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করলে প্রার্থিতা বাতিলযোগ্য। সেক্ষেত্রে প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত দ্বিচারিতামূলক বলেই মনে হচ্ছে।” হাসনাত অভিযোগ করেন, প্রশাসনের আচরণ দেখে মনে হচ্ছে তারা বিএনপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হবে, তা নিয়ে এখন শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।”


