বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর হবিগঞ্জ জেলার সদস্যসচিব মাহাদী হাসানকে গ্রেফতারের পর মধ্যরাতে আদালতে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১২টায় তাকে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ।
গ্রেফতারের পেছনে কারণ হিসেবে জানানো হয়েছে, ‘জুলাই আন্দোলনের’ সময় বানিয়াচং থানায় আগুন দেওয়ার হুমকিসংক্রান্ত একটি বক্তব্য ভাইরাল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাত পৌনে ৮টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শাস্তানগর এলাকার একটি বাসা থেকে মাহাদী হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা সদর থানার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা মাহাদীর মুক্তির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন, যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
উত্তপ্ত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা থানার সামনে অবস্থান নেয়। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।
দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়, রাতেই মাহাদী হাসানকে আদালতে তোলা হবে। সেই অনুযায়ী রাত ১২টার দিকে তাকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে আগেই তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে এবং হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার ও ওসিকে প্রত্যাহারের দাবি তোলা হয়েছে। সেই সঙ্গে মাহাদীর মুক্তির দাবিতে শাহবাগে সমাবেশের ডাকও দেওয়া হয়েছে।


