যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশসহ ৩৮ দেশ

যুক্তরাষ্ট্র (United States)-এর ভিসা বন্ড নীতিতে নতুন করে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। ফলে এবার থেকে বাংলাদেশি নাগরিকরা যদি যুক্তরাষ্ট্রের ই১ (E-1) বা ই২ (E-2) ভিসার জন্য আবেদন করেন, তবে ভিসার অন্যান্য শর্ত পূরণ করলেও তাদের অতিরিক্ত ৫,০০০ / ১০,০০০ / ১৫,০০০ মার্কিন ডলার পরিমাণ একটি “ভিসা বন্ড” জমা দিতে হবে।

এই সিদ্ধান্তের আওতায় বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির ভ্রমণ বিষয়ক সরকারি ওয়েবসাইটে ৬ জানুয়ারি এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বাংলাদেশের জন্য এই ভিসা বন্ড ব্যবস্থা কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে। বন্ডের নির্দিষ্ট অংক নির্ধারিত হবে আবেদনকারীর সাক্ষাৎকারের সময়, ভিসা অফিসারের বিবেচনায়।

এই বন্ড পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য হলো, ভিসার শর্ত ভঙ্গ করে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার প্রবণতা রোধ করা। ই১ ও ই২ ভিসা মূলত বাণিজ্যিক বা বিনিয়োগ সম্পর্কিত ভিসা, যার আওতায় পেশাদার ব্যবসায়ী বা বিনিয়োগকারী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে: আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, বেনিন, ভুটান, বোতসোয়ানা, বুরুন্ডি, কাবো ভার্দে, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, কোট দিভোয়ার, কিউবা, জিবুতি, ডমিনিকা, ফিজি, গ্যাবন, গাম্বিয়া, গিনি, গিনি-বিসাউ, কিরগিজস্তান, মালাবি, মৌরিতানিয়া, নামিবিয়া, নেপাল, নাইজেরিয়া, সাও টোমে ও প্রিন্সিপে, সেনেগাল, তাজিকিস্তান, তানজানিয়া, টোগো, টোঙ্গা, তুর্কমেনিস্তান, তুভালু, উগান্ডা, ভানুয়াতু, ভেনেজুয়েলা, জাম্বিয়া ও জিম্বাবুয়ে।

প্রত্যেক দেশের পাশে উল্লিখিত তারিখ অনুসারে বন্ড কার্যকর হওয়ার সময় নির্ধারিত হয়েছে। বাংলাদেশসহ এই সব দেশের আবেদনকারীদের জন্য এই নিয়ম তখন থেকেই প্রযোজ্য হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *